Monday, June 1, 2015

তাজহাট জমিদার বাড়ি

দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা শহর রংপুর। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেছেন। সাবেক রাষ্ট্্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মস্থানও রংপুর। অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন তাজহাট জমিদার বাড়ি রংপুরে অবস্থিত।
রংপুর শহরের তাজহাট জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অন্যতম স্মারক। শহরের কাছেই ইতিহাস বিজড়িত সংগ্রহশালার ঐতিহাসিক প্রাসাদটি যে কাউকে মুগ্ধ করবে।
রংপুর রেলস্টেশন থেকে রিকশা কিংবা অটোবাইকে চড়ে খুবই অল্প সময়ে পৌঁছানো যায় তাজহাট জমিদার বাড়িতে। শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে তিন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এ জমিদার বাড়িটি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ হিসবে ব্যবহৃত হয়।১৯৯৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর ইমারতটিকে পুরাকীর্তি ঘোষণা করে। ২০০২ সালে এটাকে রংপুর জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।২৪ কামরা বিশিষ্ট মার্বেল পাথর বসানো ফ্লোর বেশ নজর কাড়া। আর আশপাশের গাছ-গাছালি, পুকুর ও ফুলের বাগান বাড়িটিকে আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত করে ত‍ুলেছে।সম্মুখভাগে প্রধান প্রাসাদটির দ্বিতীয়তলায় ওঠা-নামার জন্য একটি বিরাট গ্যালারির মতো চমৎকার সিঁড়ি রয়েছে। নিচ তলায় আছে এর কার্যালয়।

যা যাদেখবেন
প্রাসাদে সংরক্ষিত রয়েছে বিভিন্ন হস্তলিপি, পুরনো পত্রিকা, শিবপত্নী পার্বতীর মূর্তি, মাটির পাত্র, বিভিন্ন পোড়ামাটির ফলক, আগেকার রাজা-বাদশাহদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, মৃৎপাত্র, প্রজা বিদ্রোহের নেত্রী
চারতলা বিশিষ্ট এই জমিদার বাড়িটির ভেতরে রয়েছে অসংখ্য কক্ষ, গোসলখানা ও অতিথি শয়নশালা।প্রাসাদটি প্রায় ২১০ ফুটের মত প্রশস্ত ও চার তলার সমান উঁচু। এর গঠনশৈলী প্রাচীন মুঘল স্থাপত্য থেকে অনুপ্রাণিত বলে মনেপ্রাসাদ চত্বরে রয়েছে বিশাল খালি মাঠ, গাছের সারি এবং প্রাসাদের দুই পাশে রয়েছে দুইটি পুকুর। জাদুঘরে নির্দিষ্ট প্রবেশ মূল্য পরিশোধ করে প্রবেশ করা যায়। প্রাসাদ চত্ত্বরে গাড়ি নিয়ে ঢুকতে চাইলে গাড়ীর জন্যও নির্দিষ্ট ফি দিতে হবে।
http://lnkclik.com/6Mnq
1০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে অনুপম এ প্রাসাদটি আর ইতিহাসের অংশগুলো দেখে আসতে পারেন আপনিও।



 









  More Product:::::::::

0 comments:

Post a Comment